1. live@www.dailysonalisurjo.com : news online : news online
  2. info@www.dailysonalisurjo.com : দৈনিক সোনালী সূর্য :
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খুনিরা আছে মহাসুখে, খাচ্ছে, ঘুরছে, সেলফি তুলছে’ আজ ১৯—জানুয়ারি সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে: তারেক রহমান এসএসএফ ডিজির বাসায় অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ হামলা-লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করেছে আ.লীগ : হিন্দু মহাজোট সভাপতি দেশবাসীর কাছে মায়ের জন্য দোয়া চাইলেন তারেক রহমান টিউলিপের কেলেঙ্কারি’তে, ব্রিটেনে তোলপাড়! নোটিশ পেয়েও অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করেনি কর্তৃপক্ষ শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের কেলেঙ্কারি সুন্দরবনে বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য: জেলে পরিবারে আতঙ্ক, পেশা বদলাতে বাধ্য হচ্ছেন শত শত মানুষ

নোটিশ পেয়েও অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করেনি কর্তৃপক্ষ

নাজমুল রনি
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর হাজারীবাগ বাজারে আগুন লাগা ট্যানারি গোডাউনটির ভবনে কোন ধরনের অগ্নিনিরাপত্তাই ছিল না বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী। অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের জন্য ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকবার ভবনটির মালিক ফিনিক্স লেদারকে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল বলেও জানান তিনি। 

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে হাজারীবাগে আগুন লাগা ভবনটির সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেনেন্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

তিনি বলেন, এটি একটি পুরাতন ভবন। ভবনটিতে মিশ্র পদার্থ ছিল, কাঁচামাল, প্লাস্টিক, গার্মেন্টস পণ্য এবং উপরে ছিল জুতার কারখানা। জুতার কারখানায় বিভিন্ন দাহ্য পদার্থ রয়েছে। আমরা ভয় পাচ্ছিলাম এখানে ঘিঞ্জি এলাকা, আগুন বিস্তার লাভ করলে অনেক প্রাণহানির ঘটনা ঘটতো। সেটি আমরা রোধ করতে পেরেছি, এটি আমাদের বড় সফলতা।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, এটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের মতোই। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লেগেছে প্রায় ৩ ঘণ্টা। আমাদের সক্ষমতার পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়নি। কারণ পানির সংকট, ভেতরের দাহ্য বস্তু, উৎসুক জনতার ভিড় ও চাপা (সরু) রাস্তা।

ভবনটিতে ছিল প্লাস্টিক, লেদারসহ দাহ্য বস্তুর কারখানা। ছিল না কোনো অগ্নিনিবারক যন্ত্র। ভবনে ফায়ার সেফটির কোনো প্ল্যান ছিল না। কয়েকবার নোটিশও দেওয়া হয়েছিল ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে।

আগুন ভবনটির ৫, ৬ ও ৭ তলা পর্যন্ত ছড়িয়েছে জানিয়ে ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, নিচের দিকে আগুন ছিল না। আগুনের সূত্রপাত এখনো বের করা যায়নি। তবে ইলেকট্রনিক শর্ট সার্কিট কিংবা সিগারেটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে তদন্তের পর মূল কারণ জানা যাবে।

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী আরও বলেন, সরকারের আইনে ফায়ার সেফটি অবশ্যই থাকতে হবে। কিন্তু এই ভবনটিতে দাহ্য পদার্থ থাকার পরেও কোনো ফায়ার সেফটি ছিল না। আগুন ছড়িয়ে পড়লে হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারতো।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিসের সব ইকুইপমেন্ট এখানে আনা সত্ত্বেও আমরা কাজ করতে পারিনি। কারণ এখানকার রাস্তা অনেক ছোট এবং ভবন একটির সঙ্গে আরেকটি লাগানো। আমরা ১৩টি ইউনিট এনেছিলাম, কিন্তু সব ইউনিট কাজ করতে পারিনি।

ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণ হলেও এখনো নির্বাপণ হয়নি। আগুন নির্বাপণের পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক সোনালী সূর্য-২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট