গেল অর্থবছরে আগের তুলনায় প্রায় সাড়ে পাঁচ শতাংশ বেশি কন্টেইনার হ্যান্ডল করেছে চট্টগ্রাম বন্দর। এ ছাড়া পণ্য হ্যান্ডলিং বেশি হয়েছে আগের বছরের চেয়ে ৪ দশমিক ১৮ শতাংশ। বন্দর ব্যবহারকারীরা এই প্রবৃদ্ধিকে স্বাগত জানালেও, বন্দর ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও শ্রমিক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানো জরুরি বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ৩১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৯০ একক। যা আগের বছরের চেয়ে ১ লাখ ৬১ হাজার একক বেশি। আর পণ্য হ্যান্ডলিং হয়েছে ১২ কোটি ৩২ লাখ ৪২ হাজার ৭৪৮ মেট্রিকটন। তবে আগের বছরের চেয়ে জাহাজের উপস্থিতি কমেছে ২৮২টি।
চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম সোহায়েল বলছেন, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোচ্ছে বন্দরের কার্যক্রম ও অবকাঠামো উন্নয়ন। আর বিশ্ব মন্দার প্রভাব এখনও দৃশ্যমান।
তবে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন, বন্দরকে আরও গতিশীল করতে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি, শ্রমিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান জরুরি।
গত অর্থবছরের শেষে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনায় প্রথমবারের মতো যুক্ত হয়েছে বিদেশি অপারেটর। ভবিষ্যতে যা বন্দরের ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।